Skip to main content

Posts

Showing posts with the label কবিতা

"চোখ মেললুম আকাশে"

শাশ্বত কর  সভা চলছে  যে যার মত খাতা খুলে বসেছেন  ঐতিহাসিক বলছেন সিংহাসন আর ধুলোর কথা বিজ্ঞানী বলছেন ভাঙতে ভাঙতে শেষমেশ এক - এই আছে , নেই আছে - সমীকরণের বুকে সমাধান আছে শাস্ত্রজ্ঞ বলছেন পূর্ণ, শূন্য আর মায়ার রহস্য  চেতন অবচেতনের সমুদ্র বলছেন মনোবিদ  কেবল একটা গাছ আঁকতে গিয়ে থমকে যাচ্ছেন শিল্পী কেবল কবিতার খাতায় অক্ষরগুলো পিঁপড়ের মতো হেঁটে বেড়াচ্ছে কবির সভা শেষ যাদের বক্তব্য শেষ তাঁরা আহারে বসেছেন    অবশেষে গাছটা আঁকতে পারলেন শিল্পী ভালোবাসার গাছ থেকে ফল ঝরে পড়ছে সবুজ আকাশে অবশেষে কবিতা একটা লিখলেন কবি  ভালোবাসা ভরা নীল মাঠের একটি কবিতা

যেমন করে গাইছে আকাশ

কাছে এসে বসো। কথা নয়, পাখিগুলো উড়ে যাবে। জানালা খুলে দাও। বৃষ্টির গুঁড়ো আসুক। তোমায় ভিজতে হবে। বেশি ভিজলে তোমার তো শ্বাসকষ্ট হয়। সরে এসো। বৃষ্টির গুঁড়ো আসুক। দুজনায় মিলে হেঁটে চলে যাই অজানা দূর বুকের ভিতরে গাইছে একটা অচেনা সুর তোমার কাছেই সব খুশিগুলো জীবনভর সব ভুলে গেছি সব ভুলে গেছি আপনপর সব চাওয়া পাওয়া ছুঁড়েই ফেলেছি চোখ ভরে শুধু তোমাকে দেখেছি তোমার কাছেই জীবন দিলাম গচ্ছিত শালের পাতায় ভাত বেড়ে দাও কলস থেকে জল ভরে দাও জীবনখেলায় তোমায় ভুলে লজ্জিত  কোথাও যাওয়ার নেই। পাশটিতে এসে বোসো। আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরছে ঘাসের উপর পাতার উপর রোদের উপর বৃষ্টি নামুক তোমায় ছুঁয়ে বৃষ্টি নামুক পুনর্বার এই মুহূর্ত কোথায় ছিল কীসের লোভে ভুলেছিলাম জীবনপুর অবসরের মাঠ খোলা থাক যুদ্ধবিমান আজ তোলা থাক চোখের উপর ভাসতে থাকুক সমুদ্দুর কিচ্ছু করার নেই কোনো কাজ বাকি নেই আমাদের এসো, পাশাপাশি বসে দেখি শুধু ঝরছে যেমন ঝরতে থাকুক পুড়ছে অধর পুড়তে থাকুক বদর বদর! দাও, তুলে দাও নাওয়ের কাছি অনেক পরে বৃষ্টি এলো জ্যোৎস্না ফোটাও আমার আলো একদিন নয় মানুষ হয়ে এমন বাঁচি উবুর ঝ...

নারায়ণ দেবনাথ

  হঠাৎ বন্ধ আঁকার খাতা, ঝাপসা দৃশ্য যতদূর- রং শুকোলো, জাল গুটালো রঙিন বেড়াল বাহাদুর! বাচ্চু বিচ্ছু সুবোধ হলো, ছুটি নিলেন বাঁটুল! হাঁদাভোদার গাছ মুড়োলো, কাঁদছে শামলা শাটুল! কেল্টুদা কেন বড্ড শান্ত? নন্টে ফন্টে কান্না? হাতিরাম পাতি খুলে দিলেন আজ বোর্ডিং এর যত জানলা! কৌশিক রায় অবসর নিল, অভিযান হলো স্তব্ধ! শুঁটকি মুটকি বটুকলালেরা রংহীন, নিঃশব্দ! ডানপিটে খাঁদু বড় হয়ে গেলে কেমিক্যাল দাদু কাজহীন, ব্ল্যাক ডায়মন্ড ইন্দ্রজিতের পাঁচঅঙ্কে আজ ড্রপসিন! বই জুড়ে সব ভিড় করে আছে নেই শুধু আজ সারথী, মুখভার আজ শুকতারাদের কাঁদছে কিশোরভারতী! মনে জমে আছে দুষ্টুমি আর চোখ ভরে আসে কষ্ট শৈশব থেকে শিশুদিনমণি আজ কি গেলেন অস্ত? অস্ত যায় কি এমন জ্যোতিরা, ফুরোয় কি কিছু আসলে? মনের ভিতরে যে বীজ পুঁতেছো, গাছ হবেই ঠিক চাষ হলে। ছেলেবেলাগুলো সোনা করে দিত রংতুলি আর তাঁর মন ছোটদের মনে আকাশটা ভরে লিখবেন ছবি নারায়ণ। -শাশ্বত কর, 18-ই জানুয়ারি, 2022

কাঠের উনুন

 কাঠের উনোনে ভাত রানছে ফজুকাকা পাকা হলদে কঞ্চি অবাধ্য আগাছাকে ঠেসে দিচ্ছে আগুনের গায়ে  Add caption বিন্দু বিন্দু হলুদ প্রাণ হয়ে সশব্দে ঊর্ধ্বমুখী, এলোচুলে তার উবলানো পায়েসের স্মৃতি। স্বাধীন ঈশ্বরকণাকে ডাকতাম মামাবাড়ি বলে সেখানে বারবাড়ির উঠোন তাতে পিঁড়ি পেতে দাদি শহুরে নাতির লেগে আদর জ্বাল দেন। তিনমহলা মামাবাড়িতে উনোনটা আর নেই। সুগন্ধী বাষ্পে জ্বালাধরা চোখে আজ দাদি পিঁড়ি পাতেন, আর বাজিকরের শূন্যবোর্ডে লেখা হয়ঃ            'আসো বাবু... রস খাবানা?' 'তোমায় যা বলার আছে' (যাপনচিত্র,২০১২) বইটিতে প্রকাশিত।।
parle poro e kobita bhalo lage jodi janio tabe