শাশ্বত কর ‘ ফি রব বললে ফেরা যায় নাকি?’- মহীনের ঘোড়াগুলির প্রায় প্রবাদ হয়ে যাওয়া গানের চরণের উত্তর খানিক হলেও মিলে যায় পৃথা চক্রবর্তীর নতুন ছবি ফেরায়। সাধারণ মানুষের সাধারণ গল্প। মার প্যাঁচ, প্যাঁচ পয়জার- গল্প থেকে স্ক্রিপ্ট, অভিনয় থেকে ক্যামেরা- কিচ্ছু নেই। আছে কেবল সাধারণ মানুষের সাধারণ কথাবার্তা। ‘অবশ্য কে রাখে খবর তার!’ তবে কি না শুনেছি বিদ্বানেরা বলেন, অতি সাধারণের মধ্যেই নাকি আবার অসাধারণের ইশারা লুকিয়ে থাকে। তা চেনা সবার কম্ম না, সেই অসাধারণের বীজটিকে বৃক্ষ করে তোলার কাজও সব সাধারণের না। যদি তাই হয় তবে বলতেই হবে এই ছবির কলাকুশলীরা সাধারণের খবরাখবর রাখেন, না হলে এমন মাটি ছোঁওয়া প্রাণবন্ত অভিনয় কেবল প্রতিভা থেকে উঠে আসে না। ছবির ক্রুরাও অবশ্যই খবর রাখেন সাধারণের, নইলে এমন স্ক্রিপ্ট, এমন লোকেশন, এমন গল্প বলা, এমন আলো আর এমন গান- এমন পরিচালনা হয়ে ওঠে না। ‘ফেরা’ আসলে আমার আপনার মনোজগতে একবারটি ফেরার টিকিট। বাবার কাঁধে আর একবার মাথা রাখবার অবসর। মায়ের গায়ে গা ঠেকিয়ে খালি হয়ে যাওয়ার সুযোগ। মা বাবা থাকলে তো বটেই, তাঁরা যদি এখন ইহলোকে নাও থাকেন তবুও মনের ঘরের কবাট খ...
শাশ্বত কর সভা চলছে যে যার মত খাতা খুলে বসেছেন ঐতিহাসিক বলছেন সিংহাসন আর ধুলোর কথা বিজ্ঞানী বলছেন ভাঙতে ভাঙতে শেষমেশ এক - এই আছে , নেই আছে - সমীকরণের বুকে সমাধান আছে শাস্ত্রজ্ঞ বলছেন পূর্ণ, শূন্য আর মায়ার রহস্য চেতন অবচেতনের সমুদ্র বলছেন মনোবিদ কেবল একটা গাছ আঁকতে গিয়ে থমকে যাচ্ছেন শিল্পী কেবল কবিতার খাতায় অক্ষরগুলো পিঁপড়ের মতো হেঁটে বেড়াচ্ছে কবির সভা শেষ যাদের বক্তব্য শেষ তাঁরা আহারে বসেছেন অবশেষে গাছটা আঁকতে পারলেন শিল্পী ভালোবাসার গাছ থেকে ফল ঝরে পড়ছে সবুজ আকাশে অবশেষে কবিতা একটা লিখলেন কবি ভালোবাসা ভরা নীল মাঠের একটি কবিতা